ন্যাচারাল কিলার সেল – Natural Killer Cell (NK Cell)

যেসব cell বা কোষ কোনো ক্ষতিগ্রস্ত (injured) বা অস্বাস্থ্যকর (unhealthy) cell কে দেখলে তাকে মেরে ফেলে সেসব কোষকে Killer Cell বলে। Cytotoxic killer cell (বা Tc cell) এবং Natural killer cell (NK cell) এরা দুজন এই ধরনের কাজ করে। তাই এরা দুজন killer cell. আমরা এখন natural killer cell নিয়ে জানবো।

Tc cell এবং NK cell এই দুটো killer cell হলেও তাদের মধ্যে একটা পার্থক্য আছে। NK cell গুলো সবসময় active বা সক্রিয় থাকে এবং প্রকৃতিগত ভাবেই injured cell কে ধ্বংস করে। কিন্তু Tc cell গুলো সবসময় active থাকে না। তাদেরকে helper cell এর মাধ্যমে activated করা হয়, তারপর তারা injured cell কে ধ্বংস করতে পারে।

NK cell গুলো সবসময় আমাদের রক্তে এবং বিভিন্ন tissue তে থাকে। তাই শরীরে অন্য কোনো cell ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারা যে signal তৈরি করে সেটা NK cell সহজেই ধরতে পারে। একটা কোষ বা cell দুই ধরনের signal তৈরি করতে পারে। +ve signal এবং -ve signal. Cell অথবা tissue তে কোনো pathogen না থাকলে সেই cell বা tissue +ve signal তৈরি করে। কিন্তু সেখানে কোনো pathogen আক্রমন করলে cell বা tissue -ve signal তৈরি করে। যদি signal -ve হয় তবে NK cell সেটা বুঝতে পারে এবং সেই cell বা tissue এর পুরো শরীর ধ্বংস করে দেয় যাতে তার ভেতর থাকা pathogen গুলো মারা যেতে পারে।

যখন একটা cell সুস্থ বা healthy থাকে তখন তার পৃষ্টে (বা surface) দুটো জিনিস যুক্ত থাকে। Class I MHC এবং AR ligand (এক ধরনের রিসেপ্টর). কিন্তু যখন কোষের ভেতরে pathogen বা জীবাণু আক্রমণ করে তখন সেই cell এর পৃষ্টে শুধুমাত্র AR ligand থাকে, Class I MHC থাকে না।

যখন NK cell গুলো blood কিংবা শরীরের বিভিন্ন কোষের কাছাকাছি চলাচল করে তখন এটি তার দুটো হাত বের করে রাখে। হাত দুটোর নাম হলো CD94 এবং AR (Androgen receptor).

যখন NK cell এর এই হাত দুটো healthy cell এর হাত দুটোর (যেমন Class I MHC এবং AR ligand) সাথে যুক্ত হয়ে যায় তখন NK cell এই অবস্থাকে +ve signal হিসেবে নেয়। তাই সে ঐ কোষের মধ্যে কোনো ক্ষতি করে না।

কিন্তু NK cell এর সাথে যখন কোনো কোষ একটা মাত্র হাত (যেমন AR ligand) এর মাধ্যমে যুক্ত হয় তখন NK cell সেটাকে -ve signal হিসেবে নেয়। তাই সেই cell কে ধ্বংস করার জন্য NK cell তখন কিছু chemical release করে।

তারমানে বোঝা গেলো unhealthy বা injured cell এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর পৃষ্টে কোনো MHC I type  molecule থাকবে না।

Microorganism এর মধ্যে Virus-এর বৈশিষ্ট্য একটু অন্যরকম। Virus যখন কোষের ভেতরে থাকে তখন সেটি জীবের মত আচরণ করে, অর্থাৎ জীবদেহে virus একটা living organism. তাই NK cell সহজেই একটা unhealthy cell কে ধ্বংস করে এবং তার ভেতরের থাকা virus কেও ধ্বংস করতে পারে। কিন্তু কোষের বাহিরে virus জড় পদার্থের মত আচরণ করে। তাই virus যদি cell এর বাহিরে থাকে তবে NK cell তাকে ধ্বংস করতে পারে না।

একটা NK cell এর ভেতরে দুটো প্রধান chemical থাকে। এরা হচ্ছে-

   i) Granzyme B এবং 

   ii) Perforin

যখন NK cell কোনো unhealthy কোষের সাথে যুক্ত হয় তখন NK cell থেকে অনেকগুলো Perforin সেই কোষের কোষ ঝিল্লীর (বা cell membrane) মধ্যে একটা পথ বা channel বানায়। এই পথ দিয়ে NK cell থেকে Granzyme B গুলো unhealthy cell এর মধ্যে ঢুকে পড়ে।

Granzyme B molecule গুলো unhealthy cell এর মধ্যে এমনভাবে কাজ করে যাতে কোষটি অটোমেটিক নষ্ট হয়ে যায়। এই ঘটনাকে কোষের অটোলাইসিস (Autolysis) বা Apoptosis বলে।

পড়াশোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত শত ভিডিও ক্লাস বিনামূল্যে করতে জয়েন করুন আমাদের Youtube চ্যানেলে-

www.youtube.com/crushschool

ক্রাশ স্কুলের নোট গুলো পেতে চাইলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-

www.facebook.com/groups/mycrushschool

Facebook Comments