এপোলনিয়াস ও হিপ্পার্কাসের মডেল (Apollonius & Hipparchus Model)

সূর্যের গতিপথের ব্যাখ্যার জন্য এপোলনিয়াস নামক এক জ্যোতির্বিদ একটা গুরুপ্তপূর্ণ জিনিস বের করেন। তিনি ধারনা দেন, পৃথিবী যদি কোনো বৃত্তের কেন্দ্রে থাকে তবে সূর্য সেই বৃত্তাকার পথ ধরে কিছুতেই চলাচল করবে না। কারন তিনি জানতেন সূর্য সবসময় পৃথিবী থেকে সমান দুরত্বে থাকে না। কখনো পৃথিবীর কাছাকাছি থাকে, কখনো দূরে। তাই তিনি পৃথিবীর অবস্থান বৃত্তের কেন্দ্র থেকে কিছুটা দূরে সরালেন এবং বৃত্তের কেন্দ্রের নাম দিলেন উৎকেন্দ্র বা Eccentric. কিন্তু তবুও গ্রীকরা তখন টলেমির মডেল অনুসারে পৃথিবীকে বৃত্তের কেন্দ্রে বসিয়ে মহাবিশ্বের মডেল চিন্তা করেছিলেন।

এপোলনিয়াস ও হিপ্পার্কাসের মডেল

হিপ্পার্কাস নামক একজন বিখ্যাত Astronomer আরেকটা মডেল তৈরি করেন পৃথিবী নিয়ে। তার মডেলে পৃথিবীর অবস্থান ছিলো বৃত্তের এক কোণায়। যদি পৃথিবীর উপর দিয়ে দুটো রেখাকে টানা হয় তবে সেই বৃত্তটি চারটা ভাগে ভাগ হতো। তবে ভাগগুলো কেউ কারো সমান ছিলো না।

এপোলনিয়াস ও হিপ্পার্কাসের মডেল

এই বৃত্তে যে চারটি ভাগ দেখা যাচ্ছে এই ভাগগুলোর এক ভাগ থেকে আরেকভাগে যখন সূর্য যেতো তখন পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তন হতো।

এপোলনিয়াস এবং হিপ্পার্কাস এদের মহাবিশ্ব মডেল ব্যবহার করে গ্রহদের Prograde Motion বা প্রগতিকে সহজে ব্যাখ্যা করা যেতো কিন্তু Retrotide Motion বা প্রতীক গতিকে ব্যাখ্যা করা যেত না।


ক্রাশ স্কুলের নোট গুলো পেতে চাইলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-

www.facebook.com/groups/mycrushschool

অথিতি লেখক হিসেবে আমাদেরকে আপনার লেখা পাঠাতে চাইলে মেইল করুন-

write@thecrushschool.com

Emtiaz Khan

Emtiaz Khan is a person who believes in simplicity. He encourages the people for smart education. He loves to write, research about new information. Currently he is studying at the department of EEE.

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published.