বিগ ব্যাং ও কণা পদার্থবিজ্ঞান (Big Bang & Particle Physics)

বিগ ব্যাং সংঘটিত হবার পরে 10-36s থেকে 10-12s পর্যন্ত সময়কে বলা হয় Weak Nuclear Force এর সময়। এই সময়টাতে দুর্বল নিউক্লিয় বল সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য বিস্তার করেছিল। এই সময়টাতে সবল নিউক্লিয় বল অন্যান্য বল থেকে একদমই আলাদা হয়ে যায়। একই সাথে এই সময় মহাবিশ্বে জন্ম নিয়েছিল কিছু কণা বা পার্টিকেল, যেমন W & Z Boson (বোসন) পার্টিকেল এবং Higgs-Boson (হিগস-বোসন) পার্টিকেল।

আমরা ইতোমধ্যে জেনে গিয়েছি যে, সবল নিউক্লিয় বলের জন্য দায়ী ছিল গ্লুয়ন পার্টিকেল। তেমনি ভাবে দুর্বল নিউক্লিয় বলের জন্যও দায়ী কিছু পার্টিকেল রয়েছে। এই পার্টিকেলের নাম হচ্ছে W & Z Boson পার্টিকেল।

পৃথিবীর সমস্ত পার্টিকেলকে মোট দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হচ্ছে বোসন পার্টিকেল, আরেকটি হচ্ছে ফার্মিয়ন পার্টিকেল

বোসন পার্টিকেলগুলো বোস-আইনস্টাইন statistics অনুসরণ করে। সত্যেন্দ্রনাথ বসু এবং আইনস্টাইন এরা দুজন মিলে বোস আইনস্টাইন statistics তৈরি করেছিলেন। বোসন নামটি সত্যেন্দ্রনাথ বসু নিজে দেননি, এটির নাম দিয়েছিলেন পল ডিরেক নামক এক বিজ্ঞানী যিনি সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে সম্মান করে এই কণাটির নাম রেখেছিলেন বোসন কণা।

ফার্মিয়ন কণাগুলো ফার্মি-ডিরাক statistics অনুসরণ করে। তার মানে আমরা এখানে দুই ধরনের statistics দেখতে পাচ্ছি।

১. বোস-আইনস্টাইন statistics, এবং

২. ফার্মি-ডিরাক statistics

বোসন কণাগুলোর উদাহরণ হচ্ছে প্রোটন, গ্লুয়ন ইত্যাদি এবং ফার্মিয়ন কণাগুলোর উদাহরণ হচ্ছে কোয়ার্ক, লেপটন। লেপটন হচ্ছে ইলেকট্রন, মিউওন, টাও এই ধরনের কণা। লেপটন গ্রুপের সবারই একটি করে নিউট্রিনো রয়েছে।


ক্রাশ স্কুলের নোট গুলো পেতে চাইলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-

www.facebook.com/groups/mycrushschool

অথিতি লেখক হিসেবে আমাদেরকে আপনার লেখা পাঠাতে চাইলে মেইল করুন-

write@thecrushschool.com

Emtiaz Khan

A person who believes in simplicity. He encourages the people for smart education. He loves to write, design, teaching & research about unknown information.