শ্রেণীবিন্যাসের প্রকারভেদ (Classification of Taxonomy)

উদ্ভিদজগতকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্ভিদবিদ বিভিন্নভাবে শ্রেণীবিন্যস্ত করেছেন। এ সমস্ত শ্রেণীবিন্যাসকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়-

(১) কৃত্রিম (artificial),

(২) প্রাকৃতিক (natural) এবং

(৩) জাতিজনি (phylogenetic)

কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি (Artificial system of classification) : উদ্ভিদের স্বরূপ অথবা ২/১টি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদজগতের যে শ্রেণীবিন্যাস করা হয় তাকে কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি বলে। থিয়োফ্রাস্টাস এবং লিনিয়াসের শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাসের উদাহরণ।

প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি (Natural system of classification) : বিভিন্ন উদ্ভিদ বা উদ্ভিদগোষ্ঠীর মধ্যে সামগ্রিক অঙ্গ সম্পর্কিত যেসব মিল রয়েছে তার উপর নির্ভর করে যে শ্রেণীবিন্যাস করা হয় তাকে প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি বলে। এ ক্ষেত্রে উদ্ভিদের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলো হতে সাদৃশ্যযুক্ত বেশি সংখ্যক বৈশিষ্ট্য বেছে নেওয়া হয় এবং এর উপর ভিত্তি করেই শ্রেণীবিন্যাস করা হয়। মাইকেল অ্যাডানসন, ল্যামার্ক, ডি জ্যুসো, ডি ক্যান্ডল, বেনথাম হুকার ইত্যাদি উদ্ভিদবিদের শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি প্রাকৃতিক।

জাতিজনি শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি (Phylogenetic system of classification) : বিভিন্ন উদ্ভিদ বা উদ্ভিদগোষ্ঠীকে তাদের উৎপত্তিগত সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে বিবর্তন ধারা অনুযায়ী আদিকাল হতে আধুনিক ক্রমধারায় সাজিয়ে যে শ্রেণীবিন্যাস করা হয় তাকে জাতিজনি শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি বলে। এঙ্গলার-প্রান্টল, হাচিনসন, বেসি, ক্রনকুইস্ট, তাখতাইয়ান এসব বিজ্ঞানীর দেওয়া শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি জাতিজনি শ্রেণীবিন্যাসের উদাহরণ।

পড়াশোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত শত ভিডিও ক্লাস বিনামূল্যে করতে জয়েন করুন আমাদের Youtube চ্যানেলে-

www.youtube.com/crushschool

ক্রাশ স্কুলের নোট গুলো পেতে চাইলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-

www.facebook.com/groups/mycrushschool

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published.