ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়ার ফলে বিভিন্ন প্রকার বলের সৃষ্টি হয়। বলের প্রকৃতি অনুসারে তাদের বিভিন্ন প্রকার নামকরণ করা হয়। নিচে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াজনিত কয়েকটি বলের উল্লেখ করা হলো-
টান (Pull) : কোনো দৃঢ় বা নমনীয় বস্তুর উপর দৈর্ঘ্য বরাবর বল প্রয়োগ করে টানলে প্রযুক্ত বলকে টান বলে।
টেনসন (Tension) : একটি লোহার বলকে সুতার সাহায্যে ঝুলালে বলের ওজন সুতাকে নিচের দিকে টানে। এটাই এক ধরনের কাজ যার নাম টেনসন। নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুসারে সুতা লোহার বলটিকে সমান বলে উপরের দিকে টানে। এর নাম প্রতিক্রিয়া বল। সুতার মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া বল তৈরি হয়, তার মান লোহার বলের ওজনের সমান। এই তৈরি হওয়া বলকে টেনসন বা টান বলে। এমনিভাবে, একটি বস্তু অপর একটি বস্তুর সাথে যুক্ত থেকে যে বল সৃষ্টি করে তাকেও টেনসন বা টান বলে।
যদি লোহার বলের ওজন W এবং টান T হয়, তবে স্থিরাবস্থায়, W = T
ধাক্কা (Push) : কোনো বস্তুর উপর সামনের দিকে বল প্রয়োগ করাকে ধাক্কা বলে। বাইরে থেকে দরজা খোলার সময় আমরা যে বল প্রয়োগ করে থাকি তার নাম ধাক্কা বা Push.
আকর্ষণ বা বিকর্ষণ (Attraction or Repulsion) : এই বল দুটো দূর থেকে কাজ করে। সমজাতীয় দুটি চুম্বক মেরু বা চার্জ পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীতধর্মী দুটি চুম্বক মেরু বা চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে।
ঘর্ষণ (Friction) : একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর উপর দিয়ে গতিশীল হলে বা গতিশীল হতে চাইলে তাদের মিলন তলে গতিরোধমূলক একটি বল উৎপন্ন হয়। এই বলকে ঘর্ষণ বলে। মাটির উপর দিয়ে একটি ফুটবলকে গড়িয়ে দিলে নিউটনের প্রথম সূত্রানুযায়ী এটি চিরকাল চলার কথা। কিন্তু তা না হয়ে ফুটবলটি থেমে যায়। কারণ মাটির ঘর্ষণ ফুটবলের গতি রোধ করে।
পড়াশোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত শত ভিডিও ক্লাস বিনামূল্যে করতে জয়েন করুন আমাদের Youtube চ্যানেলে-
ক্রাশ স্কুলের নোট গুলো পেতে চাইলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-
Related posts:
- গতিশক্তি (Kinetic Energy)
- ঘাত বল কাকে বলে
- তড়িৎ ক্ষেত্র
- তাপধারণ ক্ষমতা ও আপেক্ষিক তাপ
- দূরত্ব ও সরণ
- নিউটনের গতিসূত্র কি কি
- নিউটনের তৃতীয় সূত্র
- নিউটনের প্রথম সূত্র ব্যাখ্যা
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র
- নিউটনের সূত্র
- পদার্থবিজ্ঞানে কাজ
- পদার্থের বিভিন্ন অবস্থার কারণ (Causes of Different States of Matter)
- পৃথিবীর গতি কত প্রকার
- রাসায়নিক ক্রিয়া বা বিক্রিয়া
- শক্তি ও শক্তির বিভিন্ন রূপ