জিন (Gene)

তোমরা ইতোমধ্যে জেনে গেছো DNA থেকে mRNA তৈরি হয় এবং সেই mRNA-টা কোড সাপ্লাই দিয়ে প্রোটিন বানিয়ে ফেলে। এই প্রোটিন আমাদের শরীরের কিংবা যেকোনো প্রাণির শরীরের বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ করে।

কিন্তু তোমরা কি জানো যে একটা DNA-এর সবগুলো অংশ mRNA তৈরি করতে পারে না? DNA-এর কিছু কিছু অংশ শুধু mRNA-কে তৈরি করতে পারে, সবগুলো অংশ না। একটা বিশাল DNA-এর যে অংশ গুলো mRNA বানাতে পারে তাদেরকে জিন (Gene) বলবো আমরা।

এক কথায়-

DNA-এর যে অংশগুলো mRNA বানাতে পারে তাদেরকে জিন(Gene) বলে।

একটা DNA-এর অনেক কম অংশ mRNA বানাতে পারে, তাই বলতে পারো DNA-তে জিনের পরিমান অনেক কম। আমাদের শরীরে ৩% DNA হচ্ছে জিন, যারা mRNA বানাতে পারে, বাকি ৯৭% DNA কোনো mRAN বানাতে পারে না। মানে আমাদের DNA-এর মাত্র ৩% অংশ প্রোটিনের জন্য কোড বানাতে পারে।

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণা করার সময় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য বাহক কণাকে Particle / Factor বলেছিলেন, পরে জোহানসন এই কণার নাম রাখেন জিন (Gene). আসলে জিন হচ্ছে একটা DNA-র অংশ।

এখন চলো একটা জিনে কি কি থাকে সেটা দেখি।

একটা সাধারণ জিনে ৩টা অংশ থাকে-

১. Promoter – উদ্দীপক

২. Coding Region – মাঝখানে থাকে 

৩. Terminator – সবার শেষে থাকে

Promoter / উদ্দীপক থাকে একটা জিনের শুরুতে। এটি সুইচের (switch) মত কাজ করে। যখন promoter on হয় তখন জিন অন (on) হয় কাজ করার জন্য, কাজ মানে mRNA-কে কোডি সাপ্লাই দেয়ার জন্য।

Coding Region-এ কোড থাকে প্রোটিন তৈরি করার জন্য।

Terminator অংশটাও একটা সুইচের মত। এটা জিনের প্রোটিন তৈরির কাজটাকে অফ(off) বা বন্ধ করতে পারে।

এখন Coding Region-এ ২টা ভাগ থাকে-

১.Exon- এরা Exon-1 ও Exon-2 টাইপের

২. Intron- এরা Intron-1 ও Intron-2 টাইপের

Exon পার্ট গুলো আসলে mRNA এবং প্রোটিন তৈরি করার কোড দিয়ে দেয়, কিন্তু Intron পার্ট গুলো কোড সাপ্লাই করে নাহ। উন্নত প্রাণির কোষ যেমন ইউক্যারিওটিক কোষ, আমাদের শরীরের কোষ, পশু-পাখি এসবের কোষে Exon-Intron দুটো পার্টই থাকে কিন্তু ব্যাকটেরিয়াতে Intron পার্ট থাকে না। ব্যাকটেরিয়ার জিন পুরোটাই coding region হিসেবে থাকে।


ক্রাশ স্কুলের নোট গুলো পেতে চাইলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-

www.facebook.com/groups/mycrushschool

অথিতি লেখক হিসেবে আমাদেরকে আপনার লেখা পাঠাতে চাইলে মেইল করুন-

write@thecrushschool.com

Emtiaz Khan

Emtiaz Khan is a person who believes in simplicity. He encourages the people for smart education. He loves to write, research about new information. Currently he is studying at the department of EEE.