বলবিদ্যা (Mechanics)

আমরা আমাদের চারদিকে যে সমস্ত পদার্থ দেখতে পাই, তাদের মধ্যে কোনোটি স্থির, আবার কোনোটি গতিশীল। পদার্থবিজ্ঞানের যে শাখায় বস্তুর স্থিতি ও গতি বিষয়ে আলোচনা করা হয় তাকে বলবিদ্যা বলে। অন্যভাবে বলা যায়, পদার্থবিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থের উপর বলের ক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে বলবিদ্যা বলে। বল হচ্ছে সেই ব্যাহিক কারণ যা একটি বস্তুর স্থির বা গতিশীল অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় বা ঘটানোর চেষ্টা করে। বলবিদ্যা মূলত দু’প্রকার-

  • স্থিতিবিদ্যা (Statics) এবং
  • গতিবিদ্যা (Dynamics)

   স্থিতিবিদ্যা- বলবিদ্যার যে শাখায় স্থিতিশীল বস্তুর উপর বলের ক্রিয়া আলোচনা করা হয় তাকে স্থিতিবিদ্যা বলে।

   গতিবিদ্যা- বলবিদ্যার যে শাখায় গতিশীল বস্তুর উপর বলের ক্রিয়া আলোচনা করা হয় তাকে গতিবিদ্যা বলে। গতিবিদ্যা আবার দু’প্রকার-

a) সৃতিবিদ্যা (Kinematics) এবং

b) চলবিদ্যা (Kinetics)

   স্মৃতিবিদ্যা : গতিবিদ্যার যে শাখায় শুধুমাত্র গতির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় কিন্তু গতির কারণ অনুসন্ধান করা হয় না, তাকে স্মৃতিবিদ্যা বলে।

   চলবিদ্যা : গতিবিদ্যার যে শাখায় গতির প্রকৃতি ও গতির কারণ আলোচনা করা হয়; অর্থাৎ বস্তুর গতির উপর প্রযুক্ত বলের প্রভাব আলোচনা করা হয়, তাকে চলবিদ্যা বলে।

মনে রাখতে হবে, সরলরেখা বরাবর চলমান বস্তুর গতিকে রৈখিক গতি বা একমাত্রিক গতি বলে।

 

স্থিতি ও গতি

   স্থিতি- সময়ের পরিবর্তনের সাথে যখন কোনো বস্তুর পারিপার্শ্বিকের সাপেক্ষে তার অবস্থানের পরিবর্তন ঘটে না, তখন এর অবস্থাকে স্থিতি বলে এবং ঐ বস্তুকে স্থির বস্তু বলে। যেমন- ঘরবাড়ি, গাছপালা প্রভৃতি স্থির বস্তু।

   গতি- সময়ের পরিবর্তনের সাথে যখন কোনো বস্তুর পারিপার্শ্বিকের সাপেক্ষে তার অবস্থানের পরিবর্তন ঘটে, তখন এর অবস্থাকে গতি বলে। তখন ঐ বস্তুকে সচল বা গতিশীল বস্তু বলে। যেমন- চলন্ত মানুষ, চলন্ত গাড়ি প্রভৃতি গতিশীল বস্তু।

পড়াশোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত শত ভিডিও ক্লাস বিনামূল্যে করতে জয়েন করুন আমাদের Youtube চ্যানেলে-

www.youtube.com/crushschool

ক্রাশ স্কুলের নোট গুলো পেতে চাইলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-

www.facebook.com/groups/mycrushschool

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published.