পানির অণু (Water Molecule)

পানি হচ্ছে এক ধরনের inorganic molecule বা অজৈব যৌগ যেটি আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুপ্তপূর্ণ একটা উপাদান। আমার শরীরে প্রায় ৫০% পানি থাকে। পানিতে দুটো H2 atom এবং একটা O2 atom একে অপরের সাথে covalent bond বা সমযোজী বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে H2 এবং O2 পরস্পরের সাথে দুটো করে ইলেকট্রন শেয়ার করে পানির অণু গঠন করে।

যদিও electron শেয়ারের মাধ্যমে পানির অণু তৈরি হয়, ইলেকট্রনের শেয়ারিং টা সুষমভাবে H2 এবং O2 এর মাঝে ঘটে না। তাই O2 এর দিকে electron এর ঘনত্ব বেশি থাকে এবং H2 এর দিকে electron এর ঘনত্ব কম থাকে। ফলে আংশিক চার্জ বা particle charge তৈরি হয় H2 এবং O2 এর উপর। H2 এর উপর আংশিক +ve charge তৈরি হয় এবং O2 এর উপর আংশিক -ve charge তৈরি হয়। তাই পানির অণু হচ্ছে Polar Molecule.

আবার, পানির একটা অণুতে থাকা অক্সিজেন আরো দুটো পানির অণুর হাইড্রোজেনের সাথে Hydrogen bond তৈরি করে। এই বন্ধনের জন্য পানি তরল অবস্থায় থাকে।

যেসব বস্তু পানির সাথে মিশে বা দ্রবণীয় হয় তাদেরকে Hydrophilic বলে। অর্থাৎ এসব বস্তু পানিকে ভালোবাসে। বেশিরভাগ polar substance গুলো হচ্ছে Hydrophilic যেমন HCl, H2SO4, NaCl ইত্যাদি। আবার যেসব বস্তু পানিতে দ্রবণীয় হয় না তাদেরকে Hydrophobic বলে। অর্থাৎ এরা পানি থেকে দূরে দূরে থাকে। কিছু Hydrophobic substance হচ্ছে তেল, চর্বি ইত্যাদি।

কিছু substance বা পদার্থ আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় ঠিকই কিন্তু নিজে অক্ষত অবস্থায় থাকে। যেমন Glucose এর অণু। গ্লুকোজকে পানিতে ছেড়ে দিলে এটি দ্রবীভূত হবে ঠিকই কিন্তু এর চারপাশে পানির অণুগুলো লেগে থাকবে। নিচের ছবিতে দেখো-

কিছু কিছু substance আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয়ে আয়ন হিসেবে থাকে। যেমন NaCl কে পানিতে ছেড়ে দিলে সেটি সোডিয়াম আয়ন (Na+) এবং ক্লোরিন আয়ন (Cl-) হিসেবে কাজ করবে। যেখানে সোডিয়াম আয়ন পজেটিভ হওয়াতে তার চারপাশে পানির অণুর অক্সিজেন অবস্থান করে এবং ক্লোরাইড আয়ন নেগেটিভ হওয়াতে তার চারপাশে পানির অণুর হাইড্রোজেন অবস্থান করে। নিচের ছবিতে দেখো-

এছাড়া পানি এক ধরনের transporter বা বাহক হিসেবে কাজ করে। যেমন আমাদের রক্তে যে পানি থাকে সেটা পুরো শরীরে রক্তের মাধ্যমে বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তু, বর্জ্য পদার্থ, গ্লুকোজ, খনিজ লবন পরিবহন করতে পারে। আবার রক্তে থাকা কিছু hydrophobic substance যেমন চর্বি, তেল ইত্যাদি পানিতে দ্রবীভূত হয় না বলে এগুলো এক ধরনের transport protein এর মধ্যে আবদ্ধ থাকে। Transport protein গুলো রক্তের মাধ্যমে সমস্থ শরীরে প্রবাহিত হয় এবং চর্বি ও তেল জাতীয় পদার্থকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যায়।

ক্রাশ স্কুলের নোট গুলো পেতে চাইলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে-

www.facebook.com/groups/mycrushschool

অথিতি লেখক হিসেবে আমাদেরকে আপনার লেখা পাঠাতে চাইলে মেইল করুন-

write@thecrushschool.com

Emtiaz Khan

A person who believes in simplicity. He encourages the people for smart education. He loves to write, design, teaching & research about unknown information.

Facebook Comments